শুক্রবার, ২০ জানুয়ারী, ২০১৭

আমি যদি হতাম পাখি

আমি যদি হতাম পাখি
ঢাকার আকাশ ভ্রমণ পরে,
যেতাম উড়ে হিমালয়ের ওপারে;
লাগতো না কোনো ভিসা, পাসপোর্ট।

হয়তোবা কোন একদিন,
প্যাগোডার ঘন্টার ধ্বনিতে
কিংবা মৃদুমন্দ এক পশলা বৃষ্টি শেষে।
দলবেঁধে ছুটতাম আবার
চীন পেরিয়ে মঙ্গোলিয়ার পথে।

উলান বাটোরের স্কাইস্ক্র্যাপারে বসে
ভাবতাম অবাক নয়নে,
যদিও নেই মোর কোন অর্থনীতি,
রাখে নি তো স্রষ্টা কভু তৃষ্ণার্ত, ক্ষুধার্ত।
মানুষ আমাকে জানতে চেয়েছে,
খুঁজতে মোর গতিপথ
বেঁধেছিল একদা পায়ে
জিপিএস ট্র্যাকিং ডিভাইস।

শোনো, হে মানব জাতি!
আমি কভু নই অতিথি।
ছিলাম না একক সম্পত্তি;
কোন কালে, কোন দেশের।
ভুলেও ভেবো না আমাকে ঘিরে
রবীঠাকুরের সেই লাইনখানি,
"আমি এসেছি নূতন দেশে
আমি অতিথি তোমারি দ্বারে।"
বরং ভাবতেই পারো গুরুর এই গানখানি
"আমি তোমারি মাটিরও কন্যা, জননী বসুন্ধরা।"

বৃহস্পতিবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০১৬

একটি ফুলের পংক্তি মালা

কেউ যখন নেই পাশে
আমি কাঁদছি যে অঝোরে;
দম আমার বাকরুদ্ধ হয়ে আসে।
পৃথিবীকে তো আমি ঠকাতে আসিনি,
চেয়েছিলাম গড়তে ভুবনকে আপন স্নেহডোরে।
তবু কেন হয় মনে- আমি অযোগ্য, পরাজয়ী?

ভেসে আসা আজানের বাণী
আর ঘড়ির কাঁটার বিরামহীন ঘূর্ণন,
মনে তো করিয়ে দেয় একটি কথায়।
মহাকালের স্রোতের কাছে
মানব সময় কত তুচ্ছ আর মূল্যহীন।
আবেগ-অনুভূতি, হাসি-কান্নার রোল
থেমে গেলে রঙ্গিন জীবন হয়ে যায় শুষ্কফুল।

মঙ্গলবার, ১ নভেম্বর, ২০১৬

দিনলিপি: সৃজনশীনতার রকমফের ও জীবনের অংক

সারাদিনের শেষে রাতে ঘুমোতে যাবার আগে মুঠোফোনে যখন ব্লগে কিছু পোস্ট দিব বলে ভাবি তখন রাজ্যের দুশ্চিন্তা মাথায় এসে বসে। সারাদিনটা ইশশ বিফলে গেল। একটি চাপ্টারও শেষ করা হলো না। সামাজিকতা, সামাজিকতা...  ওফফ ভাল্লাগে না। কেন যে মোবাইল ফোনটা আবিস্কার হলো! আমি কোথায় আছি, কখন আসব, কোথায় যাব সবকিছু বন্ধু কি পরিবার কারোর কাছেই লুকোবার সুযোগ নেই।

যাই হোক আমি ভিন্ন প্রসঙ্গে চলে গিয়েছিলাম। এটা হতেই পারে। একটি ছেলেকে আকাশের গর্জন সম্পর্কে রচনা লিখতে দেয়া হলো। এখন টেকনিক্যাল বা সায়েন্টিফিক প্রসঙ্গ ছাড়া বহু অভিনব কল্পনার আশ্রয় সে নিতে পারে। ওখানেই তো তার সৃজনশীল চিন্তাশক্তির পরিচয় মিলবে যা করবে ওকে অন্যদের থেকে আলাদা।

আমি যখন হাই স্কুলে পড়তাম তখন সাময়িক, ষান্মাসিক, বার্ষিক যে পরীক্ষাই হোক না কেন বাংলা পরীক্ষার রচনা লিখন প্রশ্নের উত্তরে দেয়া অপশনগুলো থেকে সবসময় বেছে নিতাম সেই টপিকটা যেটাতে আমি নিজের মত করে মনের ভাষায় বলা যায় ছোটখাট সাহিত্যচর্চা করা যায় আর কি। একটি জ্যোৎসাস্নাত রাতে নৌকাভ্রমণ যদিও করার সুযোগ হয় নাই, ভবিষ্যতে করা হবে বলেও মনে হয় না। গ্রাম, মফস্বল শহরের সাথে রাজধানীর আত্বিক দূরত্ব ক্রমশ বাড়ছে। নিতান্ত প্রয়োজন ছাড়া কেনই বা গ্রামের ধূলিপথ মাড়াবো। কথা বা কারণ এটা নয়। মূলত রিভার্স কালচার শক্ যেটা ইদানিং বেশিই ফিল করি নব্বইয়ের দিনগুলো যেখানে কেটেছিল।

আবারো মূল লেখা থেকে ভিন্ন প্রসঙ্গের অবতারণা। এই যে একজন লেখক লিখতে গিয়ে খেই হারিয়ে ফেলছেন এটা নতুন কিছু নয়। অনেক বড় বড় লেখক কোন একটি বিষয়ে লিখতে গিয়ে লেখা শুরু করে নিজের লেখার উপর কন্ট্রোল হারিয়ে ফেলেছিলেন। শুধু তাই নয় শুরুতে হয়তো ভেবেছিলেন উপসংহার বা যবনিকা পাত ঘটাবেন প্রেমিক-প্রেমিকার বিচ্ছেদ দিয়ে, কিন্তু না করেছেন অভাবনীয় মিলন।

এবার পূর্বপ্রসঙ্গে আসি। আমি হাই স্কুলে ছিলাম রোল দুই। যার রোল ছিল এক সে যথেষ্ট প্রতিভাবান ও মেধাবী ছিল। সে খুব মজা পেত আমার রচনা লিখার টপিক চয়েজের প্রবণতা দেখে। যাই হোক সে বুয়েট থেকে পাশ করে দেশের একটি অন্যতম পাওয়ার প্লান্টে জব করছে। বন্ধুমহলে সেই প্রথম ছয় ডিজিটের সেলারী পাচ্ছে। খুবই বিশাল অর্জন। আমার পরবর্তী মন্তব্যটি কাউকে আঘাত কিংবা নিরুৎসাহিত করার জন্য নয়। আমার আরও বেশ কিছু ফ্রেন্ড আছে যারা সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়ে ইউএন মিশন শেষ করে ফিরেও এসেছে, বিয়ে করে বাবা হয়েছে। আফ্রিকার যেসব দেশে ওরা কাজ করেছে খুবই দুর্ধর্ষ ও প্রতি প্রহরে মৃত্যুর সমূহ সম্ভাবনা মাথায় নিয়েই কাজ করেছে। ওরা যদি মেজর র‍্যাংকে পদোন্নতি পেয়ে ফ্ল্যাট, গাড়ি কেনে তবে তা খুবই স্বাভাবিক। জীবন বাজি রেখে ওরা দেশ বাঁচাবে। আমার এতকিছু বলার মানে হলো জীবন টাকার অংকে চলে না। আপনার কর্মপরিধি বলে দেবে আপনার কত টাকা দরকার, শুধু দরকার একটি ওয়েল প্লানড বাজেট ও ইমপ্লিমেন্টেশন। শেষ কথা হলোদধদ জমানা পাল্টে গিয়েছে। মানুষ এখন আর কেবল একটি সোর্স যেমন সেলারীর উপর নির্ভর করে না। পোর্টফলিও ইনভেস্টমেন্টগুলো উন্নত দেশগুলোর অনুকরণে করা হচ্ছে। গোল্ড ইজ রিমেইন্ড এজ এ সেইফ মিডিয়াম অব স্টোর অব ভ্যালু। মূল্যস্ফীতি ৫/৬ যদি থাকে টাকা ০ রিটার্ণে ব্যাংকে ডিপোজিট করে কি লাভ?

সোমবার, ৩১ অক্টোবর, ২০১৬

ভালোবাসার সাত রং

ভালোবাসা কি রংধনুর মত যে তাতে সাত রঙের প্রলেপ থাকবে? প্রশ্নটা মনে জাগা অস্বাভাবিক কিছু নয়। ভালোবাসা তো বলে কয়ে আসে না যেমন ধরুন রংধনু। পুবাকাশে বৃষ্টিশেষে তাকালে ভাগ্যে জোটলে রংধনুর দেখা মিললেও মিলতে পারে।

আমি একটু অন্যভাবে বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করি। পৃথিবীতে হাজারো ভাষা, হাজারো জাতি, উপজাতি সব মিলিয়ে ৭০০ কোটি মানব-মানবীর সংস্কৃতির যে শাখাপ্রশাখা তার সংখ্যার কোন ইয়ত্তা নেই। আমরা বাঙালিরা ভালোবাসা প্রকাশে লাল রংটাকেই প্রাধান্য দিই। এই যেমন বাঙালি বধূর লাল শাড়িতে বিয়ের চলনটা তো একদিনে হয় নি। এটা ভালোবাসা প্রকাশে আমাদের কালচারের অনুষঙ্গ। নর্থ আমেরিকানদের কথায় ভাবা যাক। বিয়েতে সাদা পোশাক ওদের ভালোবাসার অংশ।

রংয়ে কি আসে যায়। কৃষ্ণাঙ্গদের দেহবর্ণ নিটোল কালো বলে কি ওরা কি সমগোত্রীয়দের ভালোবাসে না? অবশ্যই বাসে। ভালোবাসা কি আদৌ গাত্রবর্ণের উপর প্রভাব ফেলে? সহজ প্রশ্ন, কিন্তু সরাসরি উত্তর আমার কাছে নেই। সামাজিকীকরণের বিভিন্ন পর্যায়ে অর্জিত বর্ণবিভাজনের উপর ব্যক্তির মূল্যবোধ নির্ধারণ করে ভালোবাসায় রঙ বিবেচনা। তবুও বিশ্ব সংস্কৃতি এ যুগে শুভ্র বর্ণের মানুষের প্রতি কেন জানি দুর্বল।

ভালোবাসা রঙিন, তবে রংধুর সাতটি রঙে ভালোবাসা বাঁধা নয়। যেমনটি বলছিলাম ভালোবাসার একটি সামাজিক পরিণতি বিয়ের পোশাকের বেলায়। আমরা হয়তো সারা পৃথিবী খুঁজলে পেয়ে যাবো সেই সাতটি পৃথক রঙের কালচার যেখানে নতুন বধূদের বরণ করে নেয়া হয় সাতটি পৃথক রঙের পোশাকে। কিন্তু বাহ্যিক রঙের বাহার থেকে যদি ভালোবাসা থেকে উৎসারিত মনের রংগুলো কল্পনা করি যেগুলো সময়ের সমান্তরালে নানান রঙের আল্পনা এঁকে যাচ্ছে সম্পর্কের মাঝে। চোখ বন্ধ করুন। ভাবুন প্রিয় একজন মানুষের কথা। যার সাথে প্রথম পরিচয় থেকে এই মূহুর্ত পর্যন্ত যত স্মৃতি মনে পড়ে সবগুলোকে সেলুলোয়েডে (চলচ্চিত্র) বন্দি করুন। দেখবেন কত অজস্র রঙ মিশে আছে ভালোবাসায়। ভালোবাসা যেন একটি রঙিন ফুলের বাগান।

একটি স্পর্শকাতর রাজনৈতিক পোস্ট

স্বাধীন বাংলাদেশে আমার জীবনকালে দেশটির রাজনৈতিক হালচাল অনুধাবন করে বিশ্লেষণ করা দুঃসাধ্য না হলেও কঠিন ব্যাপার বৈকি। জন্মপরবর্তী সময়কালের বেশির ভাগটা গিয়েছে দুটি প্রধান দলের ক্ষমতার পালাবদলের নাটকীয়তা আর মোটামুটি গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে। আগেই বলে রাখছি আমি তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণে পক্ষপাতিত্বতা থেকে মুক্ত থাকতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাবো।

বাংলাদেশ আমার জন্মভূমি, মাতৃভূমি এবং আমার অস্তিত্বের অংশ। আমার জন্মদাত্রী মাকে আমি যেমন ভালবাসি, ঠিক তেমনি ভালবাসি এই ভূখণ্ডটিকে। শুধু তাই নয় সমানভাবে ভালবাসি আমার সকল দেশপ্রেমিক দেশবাসীকে। ধরা যাক জন্মদাত্রী মা যদি কালো কুৎসিত হোক আর বোবা, অন্ধ হোক; মাকে তো আর ফেলে দেয়া যায় না। মা শুধু মা-ই। আমার কাছে দেশটা অনেকাংশে তাই।

ভোটার হলাম তো সেদিনের ঘটনা। ১৮+ ক্রস করার পরপরই সেনাবাহিনীর সহায়তায় নির্বাচন কমিশনের প্রজেক্টের মাধ্যমে ভোটার হলাম। ইতোমধ্যে দুটো জেনারেল ইলেকশন গেল। প্রথমটায় জীবনের প্রথম ভোটাধিকার প্রয়োগ করলাম। গলা উচিয়ে যত জোরে বলছি অধিকার প্রয়োগ করলাম, বাস্তবে তার প্রভাব অতটা না। সর্বশেষ নির্বাচনে ভোট কেন্দ্রে যাবার কোন মানে খুঁজে পেলাম না। কারণ আমার নির্বাচনী এলাকায় প্রধান প্রতিদ্বন্দীর কাছে বাকিরা ধারে কাছেও নাই। চিন্তা করে দেখলাম কে সিটটা নিবে সেটা স্পষ্টভাবে অনুমেয় হয়ে গেছে। শক্ত প্রতিদন্দী যেহেতু নেই তাই আমার একটি ব্যালটে কোন গুণগত পরিবর্তন আসবে না। তাই ভোট দিতে গেলাম না সময়, শক্তি খরচ করে। কিন্তু দেশপ্রেমের দায়িত্ববোধ ক্রমাগত পীড়া দিতে থাকল মনে শুধু এই কারণে যে, কেবল পলিটিক্যাল সিস্টেমের সিদ্ধান্তহীনতা, সমন্বয়হীনতা, আস্থার প্রকট ঘাটতি ও সর্বোপরি সহনশীলতার অভাবে বিশাল অংক ড়ড় নির্বাচন হয়ে যায় আনুষ্ঠানিকতামাত্র।

আমি প্রধান দুটো রাজনৈতিক দলের নামগুলো পর্যন্ত উহ্য রেখেছি। এক সময় ভাবতাম এ দেশের রাজনীতি নোংরা হয়ে গেছে। পলিটিক্স করে লাইফটাকে দোযখ বানাতে যেওনা। আমি মানি কাঁদা ছোঁড়াছোঁড়ির রাজনীতি তো একদিনে হয় নি। এটা বদলাতে সময় লাগবে আর কত সময় সেটার পুরোটায় নির্ভর করছে জনগণ আর পলিটিসিয়ানদের উপর।

আমার জীবদ্দশায় দেখা রাজনৈতিক সহিংসতার সবচেয়ে বাজে অভিজ্ঞতা চলন্ত বাসে পেট্রোল বোমা মেরে নিরপরাধ হতে পারে অরাজনৈতিক ব্যক্তিদের জীবন সংহার। এ কাজ কারা করেছে বিতর্কিত সেই টপিক নিয়ে পৃথক একটি পোস্ট দেয়া লাগবে।

সরকারের শাসনব্যবস্থায় আমার সবচেয়ে অপ্রিয় ক্ষেত্রটা হলো বিচারবহির্ভূত হত্যাকান্ড যা কিনা বিভিন্ন নামে পরিচিত যেমন আইনশৃংখলা বাহিনীর সাথে বন্দুকযুদ্ধ, ক্রসফায়ার ইত্যাদি। এসব কাজ একটা সভ্য দেশের ইমেজকে বাজেভাবে তুলে ধরে।

তত্বাবধায়ক সরকার দেশে জরুরী অবস্থা দিল। কারণ কি? রাজনীতিবিদদের মাঝে ঐক্যে পৌঁছা সম্ভব হচ্ছেনা বিধায় সংঘাত অনিবার্য। জনগণের জানমাল ও রাষ্ট্রযন্ত্র সচল রাখার জন্য প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করলেন জরুরী অবস্থা, কার্ফুতে জনজীবন মলিন। মৌলিক অধিকারগুলো কেড়ে নিয়ে সংবিধান স্থগিত হয়েছিল কিনা মনে নেই। কিন্তু জাতি হিসেবে আমরা কতটা অসভ্য পরিচয়টা দেখিয়েছি রাজনীতির মাঠে।

এবার আসি অত্যন্ত স্পর্শকাতর যুদ্ধাপরাধের বিচার নিয়ে। আওয়ামী লীগ নির্বাচনী ইশতেহারে বিষয়টি ছিল। তারা সেভাবেই আগাচ্ছে। বিচারকার্যক্রম নিয়ে তর্ক আছে। যুদ্ধাপরাধ ১৯৭১ সালে এ দেশের মাটিতে অনেক হয়েছে। সেগুলোর ফয়সালা যেমন গুরুত্বপূর্ণ তেমনি ট্রান্সপারেন্ট ট্রায়াল তার থেকে বেশি জরুরী। আমি যুদ্ধাপরাধ বিষয়ে অভিজ্ঞ নই বলে মন্তব্য করা ঠিক হবে না।

পোস্ট আর দীর্ঘায়িত করবো না। মজার রাজনৈতিক ঘটনা দিয়েই শেষ। এই তো কয়েক মাস আগে বিএনপির এক রাজনীতিবিদকে পাওয়া যাচ্ছিল না। অনেক খোঁজাখোঁজি হলো। নাহ্ কোথাও তো নেই। বিএনপি দোষারোপ করতে লাগল সরকার পক্ষকে। অবশেষে সেই নেতাকে পাওয়া গেল ভারতের আসামে।

শনিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০১৬

হাতিরঝিল লেকড্রাইভ সাইকেলে পরিভ্রমণ

হাতিরঝিল লেকড্রাইভ (আমার মতে) হেঁটে পুরোটা ঘুরে আসা সম্ভব না। কিন্তু সাইক্লিং করে ওভাল শেপ রাস্তা ঘুরে আসা মিনিটের ব্যাপার। আজকে সেটাই প্রমাণ করে দেখে আসলাম।আমার মতে হাতিরঝিল হচ্ছে সাইকেল চালানোর জন্য ঢাকা শহরের সবচেয়ে উপযুক্ত জায়গা। যদিও হাতিরঝিলের পিচ এয়ারপোর্ট রোডের পিচের মত উন্নত (স্মুথ) নয়, তারপরেও হাতিরঝিল ট্রাফিক সিগন্যাল, বাস ড্রাইভারদের এলোপাথারি বাস দাঁড় করানো ও শম্ভুক গতির রিক্সা থেকে মুক্ত। বিরামহীন সাইক্লিং করার তুমুল আনন্দ যেমন আছে তার পাশাপাশি পুরো হাতিরঝিলের চারটা ওভারপাস আমার জান বের করে ফেলেছে। এগুলো ক্রস করার এক্সপিরিয়েন্স মাউন্টেন বাইকিং এর চেয়ে কম না। সেকেন্ড ওভারপাসে উঠে তো ফেইন্ট হয়ে যাবার মত অবস্থা হয়েছিল আমার। প্রচুর ক্যালরি বার্ন হয়েছে। পানি পান করে ও মুখে পানি ছিটিয়ে রক্ষা পেলাম। রাতে হাতিরঝিলে এলইডি লাইটের আলোয় সাইক্লিং আরও অপূর্ব।

(মোবাইলে চার্জ ছিল না বিধায় ছবি দিতে না পারায় দুঃখিত।)

বৃহস্পতিবার, ২৭ অক্টোবর, ২০১৬

বৃষ্টিস্নাত বিকেলে মৃদুমন্দ হাওয়ায় রোমাঞ্চিত মূহুর্তের অণুকাব্য

অবেলায় বৃষ্টি ঝরে,
হিমেল হাওয়ার পরশে।
কত স্মৃতি জেগে ওঠে মনে,
তব হাসিমুখ দোলা দেয় প্রাণে।