বুধবার, ২ জুন, ২০১০

ভৈরবে বসে আমার নতুন নেটবুকে ব্লগ লিখার চমৎকার অভিজ্ঞতা

ভৈরববাজার জংশন রেলস্টেশনে ট্রেনের যাত্রা বিরতি
এখন আমি বাংলায় টাইপ করবো। আমার বাংলা কিবোর্ড মুখস্থ। আমার নতুন কেনা নেটবুকের (মিনি ল্যাপটপ) কিবোর্ডটি ছোট। আমার আঙুলগুলোও ছোট। তাই টাইপ করতে অসুবিধে হচ্ছে বলে মনে করছি না। 
আমি যেখানে বসে আছি তার চারপাশে চড়ুই পাখি কিচির মিচির করছে। কাক কাঁঠাল গাছের ডালে বসে কা. কা.. কা...  করছে। মনে হয় কাকের কাকার প্রতি অনেক রাগ। কাক রাগের চোটে কাকাকে বকে। একটি লোক দুটো ছাগল নিয়ে হেঁটে চলে গেল। আমার সামনে একটি কাঁঠাল গাছ আছে। তাতে কাঁঠাল ধরেছে। হালকা বাতাস বইছে। তাতে গাছের পাতাগুলো, ডালগুলো নড়ছে। মসজিদ থেকে জোহরের আযান ভেসে আসছে। যে মসজিদ থেকে আযান আসছে সেটি আমার বাড়ির কাছে নতুন তৈরি হয়েছে। চড়ুই পাখিগুলো গাছের ডালে বসে নিরন্তর কিচিরমিচির করছে। যদিও এখন গ্রীষ্মকাল, প্রচণ্ড রোদ। এই পাখিগুলোর কি গরমে এভাবে একটানা কিচির মিচির করতে ক্লান্তি লাগে না? আমার জবা ফুল গাছটা অনেক লম্বা হয়েছে। যত্ন পেলে আরও অনেক বড় হতো। দূর থেকে ট্রেনের হুইসেলের আওয়াজ ভেসে আসছে। ট্রেন মেঘনা নদীর উপরের ব্রীজ পার হয়ে ঝক ঝক করতে করতে দ্রুত চলে আসল ভৈরব বাজার। গাছের কচিপাতা দেখতে অনেক সুন্দর। কি লিখবো, কি লিখবো ভাবতে ভাবতে চারপাশের দৃশ্যপট আমার মিনি ল্যাপটপের ডিজিটাল ফাইলে লিখে ফেললাম। যখন যেটা মাথায় আসছে, সেটাই টাইপ করছি। আর নেটবুক/মিনি ল্যাপটপের এলসিডি স্ক্রিনে সেটা চমৎকারভাবে দৃষ্টিনন্দন ফন্টে ভেসে উঠছে। 

[বি.দ্র.: লেখাটির পূর্ণ অংশ ইন্টারনেট থেকে কালের গর্ভে হারিয়ে গিয়েছে। ইন্টারনেট আর্কাইভের ওয়ে ব‍্যাক মেশিনের বদৌলতে উপরের লেখাটুকু উদ্ধার করতে পেরেছি।]

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন