সোমবার, ১৮ মার্চ, ২০১৯

চৈত্রের প্রথম বৃষ্টির টাপুর টুপুর শব্দে মন যখন তন্ময়

চৈত্র‌ের শুরুতে বৃষ্টি। সেটা টিনের চালেই হোক কিংবা বাসার ছাদে। বৃষ্টি মনে প্রশান্তির হিমশীতল দ‌্যোতনা সৃষ্টি করে। মনটা ঘরের বাইরে চলে যায় বৃষ্টির ঝিরি ঝিরি শব্দপতনের ছন্দে। প্রকৃতি যেন ধুয়ে মুছে দিয়ে যায় বসন্তের বাতাসে ভেসে আসা ধূলিকণাগুলোকে।

কখনওবা মেঘের গর্জন জানান দেয় অস্থির মেঘের রুদ্রমূর্তির অস্তিত্বকে। আগে তো বিদ‌্যুত চলে যেত দমকা হাওয়ায় খানিকটা ঝড়ো বৃষ্টি বর্ষণেই। ঢাকার শহুরে পরিবেশে বজ্রবৃষ্টি বিদ‌্যুত যাওয়ার বিষয়টি স্মৃতির অংশ হয়ে গিয়েছে।

বৃষ্টি কিছু খাবারের কথা বরাবরই মনে করিয়ে দেয়। ভুনা খিচুরী, চানাচুর কিংবা ঝালমুড়ি বৃষ্টির অলস সময়কে যথেষ্ট উপভোগ‌্য করে তোলে। ছোটবেলায় বৃষ্টিতে ভিজে মফস্বল শহরের বাড়িতে আম কুড়োনোর আনন্দ ছিল একটি অমূল‌্য বিনোদন। দল বেঁধে আম ভর্তা করে খাওয়ায় ছিল যেন অমৃতের স্বাদ।

বৃষ্টিতে ভিজে ফুটবল খেলা; তারপর ভিজতে ভিজতে স্কুল থেকে বাড়ি ফেরা ছিল যেন বীরত্বপূর্ণ একটি মিশন। জ্বরকে তাড়া করে বৃষ্টিতে ভেজা কৈশোরের সাহস দেখানোর অনবদ‌্য অংশ।